1.
বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে—
ক. পালি হতে
খ. মাগধী প্রাকৃত হতে
গ. হিন্দি হতে
ঘ. সংস্কৃত হতে
সঠিক উত্তর: মাগধী প্রাকৃত হতে
ব্যাখ্যা:
ভাষাতাত্ত্বিক ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে মাগধী প্রাকৃত থেকে। প্রাকৃত রূপান্তর ও অপভ্রংশের মাধ্যমে কালক্রমে আধুনিক বাংলা ভাষার জন্ম হয়। শর্টকাট টেকনিক: ড. সুনীতি = মাগধী প্রাকৃত।
ভাষাতাত্ত্বিক ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে মাগধী প্রাকৃত থেকে। প্রাকৃত রূপান্তর ও অপভ্রংশের মাধ্যমে কালক্রমে আধুনিক বাংলা ভাষার জন্ম হয়। শর্টকাট টেকনিক: ড. সুনীতি = মাগধী প্রাকৃত।
2.
বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পর কোন চিহ্ন বসে?
ক. দাঁড়ি
খ. সেমিকোলন
গ. কমা
ঘ. হাইফেন
সঠিক উত্তর: কমা
ব্যাখ্যা:
ঠিকানা লেখার সময় বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পর কমা (,) ব্যবহার করা হয়। যেমন: ৯৩, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ। মনে রাখার কৌশল: যেকোনো সংক্ষিপ্ত বিরতি ও ঠিকানার উপাদান আলাদা করতে কমা বসে।
ঠিকানা লেখার সময় বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পর কমা (,) ব্যবহার করা হয়। যেমন: ৯৩, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ। মনে রাখার কৌশল: যেকোনো সংক্ষিপ্ত বিরতি ও ঠিকানার উপাদান আলাদা করতে কমা বসে।
3.
সমাসে নিষ্পন্ন পদটিকে কি বলে?
ক. সমস্য মান পদ
খ. ব্যাসবাক্য
গ. উত্তর পদ
ঘ. সমস্তপদ
সঠিক উত্তর: সমস্তপদ
ব্যাখ্যা:
একাধিক পদ মিলে সমাসবদ্ধ হয়ে যে নতুন পদটি গঠিত হয় তাকে সমস্তপদ বলে। পক্ষান্তরে, যে পদগুলো মিলে সমাস হয় সেগুলোকে সমস্যমান পদ বলে।
একাধিক পদ মিলে সমাসবদ্ধ হয়ে যে নতুন পদটি গঠিত হয় তাকে সমস্তপদ বলে। পক্ষান্তরে, যে পদগুলো মিলে সমাস হয় সেগুলোকে সমস্যমান পদ বলে।
4.
বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে নিচের কোনটি শুদ্ধ?
ক. গভর্নর
খ. গর্বণর
গ. গভর্ণর
ঘ. গবর্ণবর
সঠিক উত্তর: গভর্নর
ব্যাখ্যা:
আধুনিক বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং র্ণ (রেফ যুক্ত ণ) ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। গভর্নর একটি ইংরেজি শব্দ (Governor), তাই সঠিক বানান গভর্নর।
আধুনিক বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং র্ণ (রেফ যুক্ত ণ) ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। গভর্নর একটি ইংরেজি শব্দ (Governor), তাই সঠিক বানান গভর্নর।
5.
মেদিনী শব্দের সমার্থক শব্দ নিচের কোনটি?
ক. আকাশ
খ. পৃথিবী
গ. সমুদ্র
ঘ. পর্বত
সঠিক উত্তর: পৃথিবী
ব্যাখ্যা:
মেদিনী শব্দের অর্থ হলো পৃথিবী, ধরণী বা বসুন্ধরা। অন্যান্য সমার্থক শব্দ: অবনী, মেদিনী, ধরা, মহী। শর্টকাট মনে রাখার উপায়: মেদিনী = মাটির পৃথিবী।
মেদিনী শব্দের অর্থ হলো পৃথিবী, ধরণী বা বসুন্ধরা। অন্যান্য সমার্থক শব্দ: অবনী, মেদিনী, ধরা, মহী। শর্টকাট মনে রাখার উপায়: মেদিনী = মাটির পৃথিবী।
6.
সাতকাণ্ড রামায়ণ বাগধারাটির কী?
ক. রামায়ণের সাত পর্ব
খ. বৃহৎ বিষয়
গ. রামায়ণে বর্ণিত বৃত্ত
ঘ. রামায়ণবর্ণিত সাতটি সমুদ্র
সঠিক উত্তর: বৃহৎ বিষয়
ব্যাখ্যা:
সাতকাণ্ড রামায়ণ বাগধারাটির অর্থ হলো বিশাল বা বৃহৎ কোনো বিষয় বা ঘটনা। রামায়ণে সাতটি কাণ্ড বা খণ্ড রয়েছে, সেখান থেকেই বিশাল কোনো আলোচনার রূপক হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
সাতকাণ্ড রামায়ণ বাগধারাটির অর্থ হলো বিশাল বা বৃহৎ কোনো বিষয় বা ঘটনা। রামায়ণে সাতটি কাণ্ড বা খণ্ড রয়েছে, সেখান থেকেই বিশাল কোনো আলোচনার রূপক হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
7.
বিসমিল্লাহয় গলদ বাগধারাটির অর্থ—
ক. ভিত্তিতে গলদ
খ. শুরুতেই ভুল
গ. ভুল সিদ্ধান্ত
ঘ. প্রথমেই অপচয়
সঠিক উত্তর: শুরুতেই ভুল
ব্যাখ্যা:
বিসমিল্লাহয় গলদ বাগধারাটির অর্থ হলো কাজের শুরুতেই বা প্রারম্ভেই কোনো ভুল হওয়া। যেমন: অংক করতে গিয়ে প্রথমেই ভুল সূত্রে হিসাব করা।
বিসমিল্লাহয় গলদ বাগধারাটির অর্থ হলো কাজের শুরুতেই বা প্রারম্ভেই কোনো ভুল হওয়া। যেমন: অংক করতে গিয়ে প্রথমেই ভুল সূত্রে হিসাব করা।
8.
সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
ক. নীরদ
খ. জলধি
গ. মার্তণ্ড
ঘ. অবনী
সঠিক উত্তর: জলধি
ব্যাখ্যা:
জল ধারণ করে যে তা হলো জলধি অর্থাৎ সমুদ্র। নীরদ অর্থ মেঘ, মার্তণ্ড অর্থ সূর্য এবং অবনী অর্থ পৃথিবী। সুতরাং সমুদ্রের সঠিক সমার্থক শব্দ জলধি (বা অর্ণব/সিন্ধু/সাগর)।
জল ধারণ করে যে তা হলো জলধি অর্থাৎ সমুদ্র। নীরদ অর্থ মেঘ, মার্তণ্ড অর্থ সূর্য এবং অবনী অর্থ পৃথিবী। সুতরাং সমুদ্রের সঠিক সমার্থক শব্দ জলধি (বা অর্ণব/সিন্ধু/সাগর)।
9.
শকুনী মামা -এর অর্থ :
ক. কুৎসিত মামা
খ. কুচক্রী লোক
গ. সৎ মামা
ঘ. পায়খানা মামা
সঠিক উত্তর: কুচক্রী লোক
ব্যাখ্যা:
মহাভারতের খলচরিত্র ও ষড়যন্ত্রকারী শকুনি থেকে এই বাগধারার উৎপত্তি। শকুনি মামা বলতে বোঝায় কুচক্রী, ষড়যন্ত্রকারী বা চক্রান্তকারী ব্যক্তি।
মহাভারতের খলচরিত্র ও ষড়যন্ত্রকারী শকুনি থেকে এই বাগধারার উৎপত্তি। শকুনি মামা বলতে বোঝায় কুচক্রী, ষড়যন্ত্রকারী বা চক্রান্তকারী ব্যক্তি।
10.
পার হইয়া এই ক্রিয়া পদের সাধু রূপটি চলিত রূপে রূপান্তর করলে হবে
ক. পরিয়ে
খ. পারায়ো
গ. পেরিয়ে
ঘ. পার হইয়ে
সঠিক উত্তর: পেরিয়ে
ব্যাখ্যা:
সাধু ভাষার পার হইয়া ক্রিয়াটি চলিত ভাষায় সংক্ষিপ্ত ও স্বরসঙ্গতির প্রভাবে পেরিয়ে রূপে পরিবর্তিত হয়।
সাধু ভাষার পার হইয়া ক্রিয়াটি চলিত ভাষায় সংক্ষিপ্ত ও স্বরসঙ্গতির প্রভাবে পেরিয়ে রূপে পরিবর্তিত হয়।
11.
সিংহপুরুষ শব্দটি কোন সমাস?
ক. ষষ্ঠী তৎপুরুষ
খ. মিশ্রমধ্যপদলোপী
গ. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
ঘ. উপমিত কর্মধারয়
সঠিক উত্তর: উপমিত কর্মধারয়
ব্যাখ্যা:
পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ। সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের (পুরুষ) সাথে উপমান পদের (সিংহ) সমাস হলে তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ। সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের (পুরুষ) সাথে উপমান পদের (সিংহ) সমাস হলে তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
12.
সাধুরীতিতে শব্দ কোনটি?
ক. গ্রহ
খ. গিন্নি
গ. কলেজ
ঘ. কেরাব
সঠিক উত্তর: গ্রহ
ব্যাখ্যা:
গ্রহ একটি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ যা সাধুরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। পক্ষান্তরে গিন্নি হলো অর্ধ-তৎসম এবং কলেজ ও কেরাব হলো বিদেশি শব্দ। সাধুরীতি মূলত তৎসম শব্দপ্রধান।
গ্রহ একটি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ যা সাধুরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। পক্ষান্তরে গিন্নি হলো অর্ধ-তৎসম এবং কলেজ ও কেরাব হলো বিদেশি শব্দ। সাধুরীতি মূলত তৎসম শব্দপ্রধান।
13.
কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লিখিত নয়?
ক. পূজ্যপদ
খ. মৃয়মাণ
গ. আকাঙ্ক্ষা
ঘ. অফিস
সঠিক উত্তর: মৃয়মাণ
ব্যাখ্যা:
সঠিক বানানটি হলো ম্রিয়মাণ (ম-র-ফলা হ্রস্ব-ই-কার য় ম ণ), কিন্তু অপশনে মৃয়মাণ ভুলভাবে লেখা হয়েছে। অন্য শব্দগুলো শুদ্ধ।
সঠিক বানানটি হলো ম্রিয়মাণ (ম-র-ফলা হ্রস্ব-ই-কার য় ম ণ), কিন্তু অপশনে মৃয়মাণ ভুলভাবে লেখা হয়েছে। অন্য শব্দগুলো শুদ্ধ।
14.
কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লিখিত?
ক. শান্তনা
খ. নিন্মোক্ত
গ. দুর্বিপাক
ঘ. উজল
সঠিক উত্তর: দুর্বিপাক
ব্যাখ্যা:
সঠিক বানান দুর্বিপাক। বাকিগুলোর সঠিক বানান: সান্ত্বনা (শান্তনা নয়), নিম্নোক্ত (নিন্মোক্ত নয়), উজ্জ্বল (উজল নয়)।
সঠিক বানান দুর্বিপাক। বাকিগুলোর সঠিক বানান: সান্ত্বনা (শান্তনা নয়), নিম্নোক্ত (নিন্মোক্ত নয়), উজ্জ্বল (উজল নয়)।
15.
কোনটি পৃথিবী শব্দের সমার্থক?
ক. ক্ষিতি
খ. বিভাজক
গ. তপন
ঘ. অন্তরীক্ষ
সঠিক উত্তর: ক্ষিতি
ব্যাখ্যা:
ক্ষিতি শব্দের অর্থ পৃথিবী। অন্যদিকে তপন মানে সূর্য, অন্তরীক্ষ মানে আকাশ। তাই পৃথিবীর সমার্থক শব্দ ক্ষিতি।
ক্ষিতি শব্দের অর্থ পৃথিবী। অন্যদিকে তপন মানে সূর্য, অন্তরীক্ষ মানে আকাশ। তাই পৃথিবীর সমার্থক শব্দ ক্ষিতি।
16.
কোনটি চাঁদের সমার্থক শব্দ নয়?
ক. রজনীকান্ত
খ. ইন্দু
গ. নিশাকর
ঘ. সবিতা
সঠিক উত্তর: সবিতা
ব্যাখ্যা:
সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য। অন্যদিকে রজনীকান্ত, ইন্দু এবং নিশাকর তিনটিই চাঁদের সমার্থক শব্দ।
সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য। অন্যদিকে রজনীকান্ত, ইন্দু এবং নিশাকর তিনটিই চাঁদের সমার্থক শব্দ।
17.
কোন শব্দটি পদ্ম শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ নয়?
ক. পঙ্কজ
খ. উৎপল
গ. পিক
ঘ. নলিন
সঠিক উত্তর: পিক
ব্যাখ্যা:
পিক শব্দের অর্থ কোকিল। অন্যদিকে পঙ্কজ, উৎপল, নলিন হলো পদ্মফুলের সমার্থক শব্দ।
পিক শব্দের অর্থ কোকিল। অন্যদিকে পঙ্কজ, উৎপল, নলিন হলো পদ্মফুলের সমার্থক শব্দ।
18.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
ক. শ্রদ্ধাঞ্জলী
খ. শ্রদ্ধাঞ্জলি
গ. শ্রদ্ধাাঞ্জালী
ঘ. শ্রদ্ধাাঞ্জলী
সঠিক উত্তর: শ্রদ্ধাঞ্জলি
ব্যাখ্যা:
অঞ্জলি যুক্ত যেকোনো বানানে হ্রস্ব-ই-কার (ি) হয়। যেমন: শ্রদ্ধাঞ্জলি, জলাঞ্জলি, পুস্পাঞ্জলি। তাই সঠিক বানান শ্রদ্ধাঞ্জলি।
অঞ্জলি যুক্ত যেকোনো বানানে হ্রস্ব-ই-কার (ি) হয়। যেমন: শ্রদ্ধাঞ্জলি, জলাঞ্জলি, পুস্পাঞ্জলি। তাই সঠিক বানান শ্রদ্ধাঞ্জলি।
19.
কোন ক্ষেত্রে বিভক্তির প্রয়োজন হয়?
ক. প্রকৃতি
খ. সন্ধি
গ. সমাস
ঘ. কারক
সঠিক উত্তর: কারক
ব্যাখ্যা:
বাক্যে নামপদের সাথে ক্রিয়া পদের সম্পর্ক বা অন্বয় সাধনের জন্য কারকে বিভক্তির প্রয়োজন হয়। বিভক্তিহীন পদ দিয়ে কারক চিহ্নিত করা যায় না।
বাক্যে নামপদের সাথে ক্রিয়া পদের সম্পর্ক বা অন্বয় সাধনের জন্য কারকে বিভক্তির প্রয়োজন হয়। বিভক্তিহীন পদ দিয়ে কারক চিহ্নিত করা যায় না।
20.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
ক. প্রতিদ্বন্দ্বিতা
খ. দ্বন্দ্ব
গ. উর্দ্ধমুখী
ঘ. উচ্ছল
সঠিক উত্তর: প্রতিদ্বন্দ্বিতা
ব্যাখ্যা:
প্রতিদ্বন্দ্বিতা বানানটি সঠিক। অন্যান্য বানানের ভুল ও সংশোধন: ঊর্ধ্বমুখী (উর্দ্ধমুখী নয়), উচ্ছ্বল।
প্রতিদ্বন্দ্বিতা বানানটি সঠিক। অন্যান্য বানানের ভুল ও সংশোধন: ঊর্ধ্বমুখী (উর্দ্ধমুখী নয়), উচ্ছ্বল।
21.
অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
ক. দুই ভাগে
খ. তিন ভাগে
গ. চার ভাগে
ঘ. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর: তিন ভাগে
ব্যাখ্যা:
অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: যৌগিক শব্দ, রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ এবং যোগরূঢ় শব্দ।
অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: যৌগিক শব্দ, রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ এবং যোগরূঢ় শব্দ।
22.
উৎপত্তি বিচারে বাংলা শব্দকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
ক. দুই ভাগে
খ. তিন ভাগে
গ. চার ভাগে
ঘ. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর: পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা:
উৎপত্তি বা উৎস অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
উৎপত্তি বা উৎস অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
23.
বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন কে?
ক. রাজা রামমোহন রায়
খ. দীনবন্ধু মিত্র
গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ. কালীপ্রসন্ন সিংহ
সঠিক উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম সফলভাবে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের প্রয়োগ করে বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপ দান করেন।
পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম সফলভাবে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের প্রয়োগ করে বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপ দান করেন।
24.
সেমিকোলনের বাংলা :
ক. পূর্ণচ্ছেদ
খ. অর্ধচ্ছেদ
গ. আংশিক ছেদ
ঘ. ন্যূনতম বিরাম
সঠিক উত্তর: অর্ধচ্ছেদ
ব্যাখ্যা:
সেমিকোলনকে বাংলায় অর্ধচ্ছেদ বলা হয়। এটি কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদের চেয়ে কম বিরতি নির্দেশ করে। পূর্ণচ্ছেদ হলো দাঁড়ি।
সেমিকোলনকে বাংলায় অর্ধচ্ছেদ বলা হয়। এটি কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদের চেয়ে কম বিরতি নির্দেশ করে। পূর্ণচ্ছেদ হলো দাঁড়ি।
অফলাইনে পড়ার জন্য পিডিএফটি সংগ্রহ করুন
PDF ডাউনলোড করুনঅ্যাপ ইনস্টল করুন
স্মুথ এক্সপেরিয়েন্স এবং অফলাইন সুবিধার জন্য আমাদের Job Exam অ্যাপটি ইনস্টল করুন।